কাঁধের ব্যথা কি? (Shoulder Pain)
কাঁধ ব্যথা হলো কাঁধের হাড়, জয়েন্ট, পেশি, টেন্ডন বা স্নায়ুতন্ত্রের কোনো এক বা একাধিক অংশে অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে অনুভূত হওয়া ব্যথা বা অস্বস্তি। যেহেতু কাঁধ আমাদের শরীরের সবচেয়ে বেশি নড়াচড়া করা জয়েন্টগুলোর একটি, তাই এখানে সামান্য প্রদাহ বা টানও দৈনন্দিন কাজকে কঠিন করে তুলতে পারে। কাঁধ ব্যথা কখনও মৃদু টান ধরার মতো হতে পারে, আবার কখনও তীক্ষ্ণ বা গভীর ব্যথার আকারে দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ব্যথা কাঁধ থেকে হাতের ওপরে, ঘাড়ে বা পিঠের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যথার ধরন, কোন কাজের সময় বাড়ছে বা কমছে, এবং ব্যথা কতদিন ধরে আছে; এসবই সমস্যার প্রকৃতি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হঠাৎ আঘাত, খেলাধুলাজনিত টান, অতিরিক্ত ভার বহন, ভুল ভঙ্গিতে বসা–ঘুমানো, দীর্ঘ সময় কম্পিউটারের সামনে থাকা অথবা বয়সজনিত পরিবর্তন;সবই কাঁধ ব্যথার কারণ হতে পারে।সঠিকভাবে বলা যায় –
কাঁধ ব্যথা কখনও শুধু একটি অংশের সমস্যা নয়; বরং এটি কাঁধের পুরো কাঠামো, স্নায়ু এবং নড়াচড়ার সমন্বিত প্রভাব। তাই ব্যথাকে দীর্ঘ সময় উপেক্ষা করলে সমস্যা আরও জটিল হতে পারে। সমস্যার কারণ অনুসারে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া খুবই জরুরি। আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান অনুসারে, প্রতি বছর ১০০০ জনের মধ্যে ১৫ জন কাঁধে ব্যথা অনুভব করেন। একটু অসাবধানতা কাঁধে ব্যথা বা আঘাতের কারণ হতে পারে। আজকের নিবন্ধে আলোচনা করা হয়েছে কীভাবে কাঁধে ব্যথা বা আঘাত হতে পারে এবং কীভাবে আমরা তা প্রতিরোধ করতে পারি।শুরুতে, আমি কাঁধের কাঠামোর একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ প্রদান করি।
কাঁধে ব্যথার কারণ কি কি?
১. পেশির টান বা অতিরিক্ত ব্যবহার (Muscle Strain & Overuse): দীর্ঘ সময় কম্পিউটারের সামনে কাজ করা, বারবার একই ধরণের হাতের নড়াচড়া, ভারী জিনিস তোলা বা খেলাধুলায় ওভারস্ট্রেইন; এসব কারণে কাঁধের পেশিতে টান ধরে ব্যথা শুরু হতে পারে।
২. রোটেটর কাফ ইনজুরি (Rotator Cuff Injury): রোটেটর কাফ হলো কাঁধ নড়াচড়ার প্রধান পেশি ও টেন্ডনের গ্রুপ। এখানে আঘাত বা ছিঁড়ে যাওয়া কাঁধ তুলতে বা ঘুরাতে তীব্র ব্যথা তৈরি করে।
৩. Frozen Shoulder (Adhesive Capsulitis): এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে কাঁধ ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে যায় ও নড়াচড়া সীমিত হয়ে পড়ে। ব্যথা সাধারণত রাতে বেশি অনুভূত হয়।
৪. টেন্ডিনাইটিস বা টেন্ডনের প্রদাহ (Tendinitis): টেন্ডনে ইনফ্লেমেশন হলে কাঁধের সামনে বা পাশে তীক্ষ্ণ ব্যথা অনুভূত হতে পারে। অতিরিক্ত ব্যবহার বা বয়সজনিত পরিবর্তনের কারণে এটি বেশি দেখা যায়।
৫. বার্সাইটিস (Bursitis): বার্সা নামের ক্ষুদ্র থলিগুলো কাঁধে ঘর্ষণ কমায়। এগুলো প্রদাহ হলে কাঁধ ফুলে যায়, চাপ দিলে ব্যথা হয় এবং নড়াচড়ায় অস্বস্তি বাড়ে।
৬. আঘাত বা দুর্ঘটনা (Trauma or Injury): হঠাৎ পড়ে যাওয়া, কাঁধে চাপ লাগা, গ্লেনোহিউমেরাল ডিসলোকেশন বা ফ্র্যাকচার কাঁধে তাৎক্ষণিক তীব্র ব্যথা তৈরি করতে পারে।
৭. আর্থ্রাইটিস (Arthritis): অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো জয়েন্ট সংক্রান্ত সমস্যায় কাঁধ শক্ত হয়ে যায় এবং ব্যথা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
৮. স্নায়ু চাপে ধরা (Nerve Compression): ঘাড়ের স্নায়ু চাপে ধরলে কাঁধ থেকে বাহু পর্যন্ত ব্যথা ছড়িয়ে যেতে পারে। অনেকেই এটিকে “ব্যথা টেনে নামা” হিসেবে অনুভব করেন।
৯. ভুল ভঙ্গি (Poor Posture); দীর্ঘ সময় ঝুঁকে বসা, একদিকে ভর দিয়ে দাঁড়ানো, বা অনিয়মিত ঘুমের ভঙ্গি কাঁধের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে ব্যথা তৈরি করতে পারে।
কাঁধ ব্যথার কারণ সঠিকভাবে নির্ণয় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রতিটি কারণের চিকিৎসা পদ্ধতি আলাদা। ব্যথা যদি কয়েকদিনের বেশি স্থায়ী থাকে বা ধীরে ধীরে তীব্র হয়, তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। বিস্তারিত জানুন।
রোগ নির্নয়ঃ আপনার কাঁধে ব্যথা বা কাঁধের জড়তা আছে কিনা তা কি ভাবে বুঝবেন?
কাঁধে ব্যথা অ্যাডহেসিভ ক্যাপসুলাইটিস নামেও পরিচিত। কাঁধের জয়েন্ট ক্যাপসুল স্ফীত এবং শক্ত হয়ে যেতে পারে, যা ব্যথার কারণ হতে পারে। যা গতির পরিসরকে সীমিত করে। একটি কাঁধে ব্যথার রোগীর ক্রমাগত ব্যথার কারণে তার হাত বাড়াতে অসুবিধা হয়। কাঁধে ব্যথা প্রায়ই জয়েন্টে সামান্য আঘাত বা মচকে যাওয়ার কারণে হয়, যা টিস্যুতে প্রদাহ সৃষ্টি করে। তাছাড়া কাঁধে ব্যথা বিভিন্ন কারণেও হতে পারে।
এটি আপনার দাঁত ব্রাশ করা বা আপনার শার্টের বোতাম লাগানোর মতো সহজ কাজে বাধাগ্রস্থ করে। অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ফ্রোজেন শোল্ডার সিন্ড্রোম কঠিন হতে পারে। দরজার হাতল খোলা, ভেজা কাপড় ঘুরানো ইত্যাদি কাজ করলে ব্যথা হবে এবং হাত আটকে যাবে। ব্যথা খুব তীব্র হয় এবং রোগী রাতে ঘুমাতে পারে না। ব্যথা সকালে পরিলক্ষিত হয় এবং দিনের বেলা হ্রাস পায়। তবে হাত দীর্ঘক্ষণ স্থির থাকলে এবং হঠাৎ নড়াচড়া করা সম্ভব না হলে তা তুলতে অসুবিধা হতে পারে।
কারা কাঁধে ব্যথার ঝুঁকিতে থাকেন
১. বয়স ৪০ বা তার ঊর্ধ্বে তারা এই সমস্যার জন্য ঝুঁকিতে থাকেন।
২. যে সকল কারণে শোল্ডারের মুভমেন্ট কমে যায় যেমন- রোটেটর কাফ ইনজুরি, হাত ভেঙে যাওয়া, স্ট্রোক ও অপারেশন জনিত কারণে দীর্ঘদিন শোল্ডারের মুভমেন্ট কমে যাওয়া।
৩. বিভিন্ন রোগের কারণে হতে পারে যেমন- ডায়াবেটিস, থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ, হার্টের রোগ, যক্ষ্মা ও পারকিন্সন রোগ।
৪. যারা দীর্ঘদিন অস্টিওয়ারথ্রাইটিস বা রিউম্যাটয়েড আরথ্রাইটিসে ভুগে থাকেন তাদের ক্ষেত্রেও এই সমস্যা হতে পারে।
আকুপাংচার চিকিৎসার মাধ্যমে কাঁধে ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই চিকিৎসা মাধ্যমে কোন প্রকার ঔষধ ছাড়া দাঁতে ব্যাথা ভালো হয়। বাংলাদেশের সেরা আকুপাংচার চিকিৎসক ডা. এস. এম. শহীদুল ইসলাম এর তত্বাবধানে ঢাকার শশী হাসপাতালে আকুপাংচার চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এ চিকিৎসা নিয়ে ইতিমধ্যে অনেকেই সম্পূর্ণ রূপে কাঁধে ব্যাথা থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
আমরা কি ভাবে কাঁধে ব্যথার প্রতিরোধ করতে পারি?
এই গুরুতর অবস্থা প্রতিরোধ করার জন্য, আপনাকে হঠাৎ আপনার হাত কাঁপানো বন্ধ করতে হবে। জিনিসগুলিকে স্বাভাবিক এবং শিথিল রাখতে, হাত ঘন ঘন প্রসারিত করুন এবং ভাল ঘুম পান। আপনার একটি সুস্থ মন এবং শরীর আছে তা নিশ্চিত করার জন্য স্ট্রেস এড়ানো উচিত। কাঁধ গরম রাখা ভালো, এর জন্য গরম কাপড় ও হিটিং প্যাড ব্যবহার করা যেতে পারে। ফ্রোজেন শোল্ডার সিন্ড্রোম প্রতিরোধে সাহায্য করার জন্য কিছু টিপস, ভাল অঙ্গবিন্যাস বজায় রাখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ । আপনি যদি অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলকায় হন তবে আপনার শরীরের চর্বিকে ভাল আকারে রাখুন এবং আপনার ওজন সীমা অনুসরণ করুন। আপনি যত বেশি ওজন বহন করবেন, আপনার কাঁধের জয়েন্ট এবং টেন্ডনের উপর তত বেশি চাপ পড়বে। আপনি যদি ভারী কাজ করেন তবে প্রতিদিন সকালে উঠে ১০ মিনিটের বিরতি নিন এবং ঘুরে বেড়ান। ঠান্ডা তাপমাত্রায় কন্ডিশনিং, অত্যধিক নড়াচড়া এড়ানো এবং পেশী উষ্ণ রাখা ফ্রোজেন শোল্ডার সিন্ড্রোমে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কাঁধের ব্যথায় ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা
কাঁধের ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু বিশ্রামে সমাধান হয় না, কারণ সমস্যাটা সাধারণত পেশির ভারসাম্য, জয়েন্টের নড়াচড়া বা ভুল ভঙ্গি থেকে শুরু হয়। ফিজিওথেরাপি ঠিক এখানেই কাজ করে। এটি ব্যথা কমানোর পাশাপাশি কাঁধের স্বাভাবিক শক্তি, নমনীয়তা এবং চলাচল ফিরিয়ে আনে। প্রথমে ব্যথা কমাতে হালকা থেরাপি দেওয়া হয়, তারপর ধীরে ধীরে স্ট্রেচিং ও শক্তিবর্ধক ব্যায়াম শুরু হয়। এতে জমাট পেশি খুলে যায়, টেন্ডন ও জয়েন্ট আবার স্বাভাবিকভাবে নড়তে শেখে।
ফিজিওথেরাপিস্ট কেবল ব্যথা কমান না, ভুল ভঙ্গি, দৈনন্দিন চাপ, কাজের ধরন, সব বিশ্লেষণ করে কোন অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করলে কাঁধ আবার ব্যথা করবে না, সেটাও শেখান। অর্থাৎ, ফিজিওথেরাপি কাঁধের ব্যথায় শুধু তাত্ক্ষণিক আরাম দেয় না; বরং সমস্যার মূল কারণ ঠিক করে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল সমাধান গড়ে তোলে।
SUO XI Hospital (Acupuncture) বাংলাদেশের একটি বিশ্বস্ত এবং আধুনিক ফিজিওথেরাপি সেন্টার, যেখানে ব্যথা ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসনে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ, উন্নত ফিজিওথেরাপি সরঞ্জাম এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসা পরিকল্পনার মাধ্যমে কাঁধ ব্যথা, ঘাড় ব্যথা, কোমর ব্যথা ও জয়েন্ট–সংক্রান্ত সমস্যার সঠিক সমাধান প্রদান করে থাকে। নিয়মিত সেশন ও বিশেষায়িত থেরাপির মাধ্যমে SUO XI Hospital অনেক রোগীর জীবনযাত্রায় আরাম ও স্বাভাবিক চলাচল ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে। বিস্তারিত জানতে কল করুন।
কাঁধের ব্যথা থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়
কাঁধে ব্যথার সিন্ড্রোমের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের ব্যথার ওষুধ রয়েছে যা সাময়িকভাবে ব্যথা কমাতে নেওয়া যেতে পারে। তবে বিভিন্ন ফিজিওথেরাপি কৌশলও রয়েছে যা তাত্ক্ষণিক ব্যথা উপশম করতে পারে। তবে শুধুমাত্র ওষুধ খেয়ে কাঁধের ব্যথা পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়। এটি আপনাকে সাময়িক ব্যথা উপশম দেবে, কিন্তু সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব নয়।
কাঁধে ব্যথার সিন্ড্রোমের চিকিৎসার জন্য নতুন পদ্ধতি – আকুপাংচার। আকুপাংচার, কাঁধের ব্যথা রোগ সম্পূর্ণরূপে নিরাময়ে সাহায্য করে। ডাক্তাররা দেখেছেন যে আকুপাংচার কাঁধে ব্যথার সিন্ড্রোমের চিকিৎসায় খুব সহায়ক হতে পারে। গবেষণা অনুসারে। আকুপাংচার সূঁচ শরীরের বিভিন্ন অংশকে উদ্দীপিত করে ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে। এটি ব্যথা উপশমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফ্রোজেন শোল্ডার রোগের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন আকুপাংচার চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশ তেমনই একটি প্রতিষ্ঠান হল শশী হাসপাতাল। যেখানে প্রধান চিকিৎসা ব্যবস্থা হল আকুপাংচার । আকুপাংচার এর মাধ্যমে কাঁধে ব্যথার চিকিৎসা দেওয়া হয় শশী হাসপাতালে। কাঁধ ব্যথা রোগের চিকিৎসায় শশী হাসপাতালের সফলতার হার শতকরা ৯৫ থেকে ১০০%।
দীর্ঘ সময় ধরে শশী হাসপাতাল এই আকুপাংচার সেবা দিয়ে আসছে। কাঁধের ব্যথা ছাড়াও ব্যথাজনিত আরো অনেক রোগের সুচিকিৎসা পাওয়া যায় এই আকুপাংচার পদ্ধতিতে। আকুপাংচার পদ্ধতিটি একটি চীনা চিকিৎসা ব্যবস্থা যার উৎপত্তি হয় চীন দেশে। ধারণা করা হয় এটি মানব ইতিহাসের পুরনো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যা প্রায় ৫ হাজার বছরের পুরনো । দীর্ঘ সময় ধরে অত্যন্ত সফলতার সাথে আকুপাংচার নামের এই চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে শশী হাসপাতাল।
স্বল্পমেয়াদে ব্যথা কমানোর বিভিন্ন উপায় আছে, যেমন ওষুধ সেবন, তবে এমন বিভিন্ন কৌশলও রয়েছে যা তাৎক্ষণিক ব্যথা উপশম করতে পারে। আকুপাংচার ছাড়াও, শশী হাসপাতাল ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, চাইনিজ ফুট থেরাপি এবং বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে ব্যথাজনিত রোগের সুচিকিৎসা প্রদান করা হয়ে থাকে।
কাঁধের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আকুপাংচার একটি অত্যন্ত কার্যকরী চিকিৎসা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। আকুপাংচার হল ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করার এবং শরীরকে আরও দক্ষতার সাথে কাজ করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আকুপাংচার শরীরে উদ্দীপনা তৈরি করতে পারে যা স্বাস্থ্যের উন্নতিতে আবশ্যক । নতুন উদ্দীপনা শরীরের প্রভাবিত এলাকায় ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, এবং এটি শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে কমে যায়। আকুপাংচারের কোনো পরিচিত নেতিবাচক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, যা বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার করার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। আকুপাংচার হল একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যা শরীরের নির্দিষ্ট অংশকে লক্ষ্য করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি রোগীর নির্দিষ্ট চাহিদার উপর ভিত্তি করে। আকুপাংচার পদ্ধতি বিশেষভাবে রোগীর পৃথক কশেরুকার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
বাংলাদেশের অনেক আকুপাংচার ক্লিনিকের মধ্যে শশী হাসপাতাল তার উচ্চমানের যত্নের জন্য পরিচিত। শশী হাসপাতাল হল শান্তিনগর চৌরাস্তার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত, যেখানে বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় হাসপাতাল রয়েছে। শশী হাসপাতাল আকুপাংচার চিকিৎসা সেবার জন্য বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত একটি হাসপাতাল। যেখানে আপনি ব্যথাজনিত যেকোনো সমস্যা নিয়ে আসতে পারেন। এখানে ব্যথাজনিত সকল সমস্যার জন্য আকুপাংচার চিকিৎসা পদ্ধতি খুব সুন্দর ভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই অনুশীলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশিষ্ট আকুপাংচার বিশেষজ্ঞ ডা. এস, এম, শহীদুল ইসলাম।
আমাদের এই ভিন্নধর্মী চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে পরিচিত করার ক্ষেত্রে আকুপাংচার বিশেষজ্ঞ ডা. এস ,এম, শহীদুল ইসলাম একজন সত্যিকারের অগ্রগামী ব্যক্তিত্ব । দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আকুপাংচার বিশেষজ্ঞ ডা. এস,এম, শহীদুল ইসলাম। তার নিপুণ হাত দিয়ে, আকুপাংচারের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। আকুপাংচার বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় চিকিৎসা পদ্ধতি, এবং এটি গত কয়েক বছর ধরে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তার দীর্ঘকালের আকুপাংচারের উপর দক্ষতা বেশ কয়েক বছর ধরে রোগীদের সফলভাবে চিকিৎসা প্রদান করে আসছে। এখানে আকুপাংচারের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, চাইনিজ থেরাপি, ইত্যাদি ছাড়াও আরও বিভিন্ন রকম ব্যথা জনিত রোগের উপশমে আকুপাংচার চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। শশী হাসপাতাল সবসময় আপনার সেবা করতে এবং আপনার প্রয়োজনের সময় আপনার পাশেই রয়েছে। আমরা আমাদের রোগীদের এবং সম্প্রদায়ের জন্য চমৎকার সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতিতে নিজেদেরকে গর্বিত মনে করি।
Frequently Asked Questions (FAQ)
কাঁধে ব্যথা কেন হয়?
সাধারণত কাঁধে তিনটি হাড় থেকে থাকে। এর কোন একটি ক্ষতিগ্রস্থ হলে কাধের ব্যাথা হতে পারে। হাড় গুলির নাম হল কাঁধ, টেন্ডন অথবা কার্টিলেজ।
কাঁধে ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?
কাঁধে ব্যথা কমানোর বেশ কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে, এগুলো মেনে চললে ঘাড়ে ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সেগুলো হলো: গরম সেঁক, লবন পানিতে গোসল, ব্যায়াম ইত্যাদি।
দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেওয়ার পরও কাঁধে ব্যাথা কেন ভালো হয় না?
সঠিক চিকিৎসা নিলে অবশ্যই কাঁধে ব্যথা ভাল হয়। কাঁধে ব্যথা মূলত কাঁধের জয়েন্টে বা পেশিতে হয়ে থাকে। আকুপাংচার চিকিৎসার মাধ্যমে কাঁধে ব্যথা ভালো হয়। আকুপাংচার একটি চীনা চিকিৎসা পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে কোন প্রকার ঔষধ ছাড়া চিকিৎসা করা হয়। কাঁধে ব্যথার জন্য অনেকেই আকুপাংচার চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে।
See More…
দাঁত ব্যথা (Toothache) এর কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা
শ্বাসকষ্ট সমস্যা ও ঘুমের সমস্যার প্রাকৃতিক চিকিৎসা এখন শশী হাসপাতালে