কোমর ব্যথার, কোমর ব্যথা কেন হয়, কোমরের ব্যথা কমানোর উপায় ব্যায়াম, কোমরের দুই পাশে ব্যথার কারণ, গর্ভাবস্থায় কোমর ব্যথা হয় কেন, মাজা ব্যথা,

কোমর ব্যথা কমানোর দ্রুত উপায়

কোমর ব্যথা হঠাৎ করে আসে এবং আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম, হাঁটাচলা, এমনকি ঘুম পর্যন্ত বাধাগ্রস্ত করে। এটি শুধু বয়স্ক মানুষদের জন্য নয়; আজকাল তরুণ এবং কর্মজীবী মানুষও দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে  বসা, ভারী জিনিস তোলা, বা অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। সাধারণত কোমর ব্যথা কমানোর জন্য বিভিন্ন ব্যথানাশক ঔষধ ও অপারেশন এর প্রয়োজন হয়ে থাকে। তবে ঔষধ ও অপারেশন ছাড়াও আকুপাংচার চিকিৎসা ও নিয়মিত শারীরিক ব্যয়াম করলে কোমর ব্যাথা থেকে মুক্তি লাভ করা সম্ভব। 

বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত শশী হাসপাতাল (আকুপাংচার) সম্পূর্ণ ঔষধবিহীণ, অপারেশন বিহীণ পদ্ধতিতে আকুপাংচারের পাশাপাশি থেরাপির সমন্বয়ে অত্যন্ত সফলতার সাথে কোমর ব্যথা এর চিকিৎসা প্রদান করে আসছে। আকুপাংচার থেরাপির মাধ্যমে শুধুমাত্র ব্যথা কমানোই নয়, পেশি শিথিল করা, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি এবং স্পাইনের কার্যক্ষমতা উন্নত করা সম্ভব। কোমর ব্যথা এর নিরাপদ ও কার্যকরী চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কল করুন

কোমর ব্যথা হওয়ার নির্দিষ্ট কোন কারণ নেই। মাজা ব্যথা বিভিন্ন কারনে হতে পারে। সেটা হতে পারে কোন দুর্ঘটনা অথবা দৈনন্দিন কোন অভ্যাস থেকে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে এই ব্যথার প্রভাব বেশি দেখা যায়। কোমরে ব্যথার অন্যতম কারণগুলো নিচে দেওয়া হল:

  • হাড় ক্ষয়
  • স্লিপ করে পরে যাওয়া
  • পেশি ও লিগামেন্টে হঠাৎ করে টান লাগা
  • দীর্ঘ সময় টানা বসে কাজ করা
  • লাম্বার স্পনডালাইসিস
  • পিএলআইডি

উপরোক্ত কারণগুলোর জন্য কোমর ব্যথা হয়ে থাকে। এগুলো ছাড়াও আরও অনেক কারণে কোমর ব্যথা হতে পারে।

নির্দিষ্ট ভাবে দ্রুত কোমর ব্যথা (Lower Back Pain) কমানোর উপায় বলা সম্ভব নয়। সাধারনত ব্যথা হলে আমরা নানা রকম ব্যথানাশক ঔষধ সেবন করে থাকি। আবার অনেক সময় অপারেশনও করতে হয়। তবে এগুলো ছাড়াও অন্যান্য কিছু চিকিৎসা রয়েছে যেগুলো ঔষধ ছাড়া কোমর ব্যথা কমাতে সাহায্য  করে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হলো চীনা আকুপাংচার চিকিৎসা। এছাড়াও ফিজিওথেরাপি ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে কোমর ব্যথা অনেকটাই নিরাময় করা সম্ভব।

নিম্নে বেশ কিছু কোমর ব্যথা সারানোর উপায় দেওয়া হল

১. নিয়মিত ব্যায়াম

২. হালকা গরম সেঁক

৩. তেল মালিশ

৪. নরম বিছানায় না ঘুমানো

উপরে প্রদানকৃত উপায়গুলো কোমর ব্যথা (মাজা ব্যথা) কমানোয় দ্রুত ভূমিকা রেখে থাকে। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কোমার ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন;  

বাংলাদেশের শশী হাসপাতালে ঔষধ ও অপারেশন ছাড়া কোমর ব্যথার চিকিৎসা করা হয় । এখানে এই ব্যথার চিকিৎসায় সফলতার হার লক্ষনীয়। শশী হাসপাতাল থেকে দেশ বিদেশের অনেক রোগী আকুপাংচার ও কম্বিনেশন চিকিৎসার মাধ্যমে  এই ব্যথা থেকে মুক্তি পেয়েছেন ।

১. সঠিক ভঙ্গিতে বসা–দাঁড়ানো: পিঠ সোজা রাখা, কোমরে সাপোর্ট ব্যবহার করা এবং পা মাটিতে রাখা ব্যথা কমায়।
২. কাজের মাঝে ছোট বিরতি: একটানা বসে না থেকে প্রতি ৩০–৪০ মিনিটে উঠে হাঁটা বা হালকা স্ট্রেচ করলে পেশি শিথিল হয়।
৩. ভারী জিনিস তোলার অভ্যাস বদলানো: হাঁটু ভাঁজ করে, পিঠ সোজা রেখে ভার তোলা উচিত; অতিরিক্ত ভারী কিছু একা তোলা উচিত নয়।
৪. মোবাইল–কম্পিউটার ব্যবহারের ভঙ্গি ঠিক রাখা: স্ক্রিন চোখের সমান রাখুন, অতিরিক্ত ঝুঁকে কাজ করবেন না।
৫. নিয়মিত ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং: নিয়মিত স্ট্রেচিং ও হালকা ব্যায়াম পেশির ভারসাম্য রাখে এবং ব্যথা কমায়।
৬. পানি ও পুষ্টিকর খাবার: যথেষ্ট পানি পান ও প্রদাহনাশক খাবার শরীরকে সুস্থ রাখে।
৭. মানসিক চাপ কমানো: স্ট্রেস পেশি শক্ত করে ব্যথা বাড়ায়—ধ্যান বা রিলাক্সেশন ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৮. সঠিক ঘুমের ভঙ্গি: মাঝারি শক্ত ম্যাট্রেসে পাশে বা পিছনে ভঙ্গি ঠিক রেখে ঘুমানো উচিত।

কোমর ব্যথা অনেকটাই নির্ভর করে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের উপর। আনুমানিক প্রায় ৭০ শতাংশ লোকের ক্ষেত্রে এই ব্যথা আছে। এটি একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যা অনেকের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে।  কোমর ব্যথা সারানোর জন্য আমাদের জীবনযাপনের পরিবর্তন করা খুবই জরুরী। বেশ কিছু বাধানিষেধ মেনে চলতে হয়। চলুন জেনে নেই কোমর ব্যথা হলে কি করা যাবে না।

  • এক ভাবে বেশি সময় বসে থাকা যাবে না
  • নরম ম্যাট্রেসে বসা ঘুমানো যাবে না
  • কোমরকে বেশি নড়াচড়া কাজ করা যাবে না
  • অতিরিক্ত সিড়ি দিয়ে ওঠানামা করা যাবে না

উপরের বাধানিষেধ গুলো মেনে চললেই এই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে।

বাংলাদেশে সেরা কোমর ব্যথার চিকিৎসা দিয়ে আসছে বিখ্যাত পাইওনিয়ার আকুপাংচার বিশেষজ্ঞ ডা. এস. এম. শহীদুল ইসলাম। তিনি আকুপাংচার ও কম্বিনেশন চিকিৎসার মাধ্যমে কোন প্রকার ঔষধ ও অপারেশন ছাড়াই কোমর ব্যথার চিকিৎসা প্রদান করে আসছে দীর্ঘদিন ধরেতস

প্রচলিত চিকিৎসায় কোমর ব্যথা পুরোপুরি নিরাময় হয় না, তখন অনেক রোগীর জন্য অপারেশন অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায়। তবে আকুপাংচার চিকিৎসার মাধ্যমে ঔষধ বা সার্জারির প্রয়োজন ছাড়াই কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আকুপাংচার হলো একটি প্রাচীন চীনা চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পেশি শিথিল করা, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি এবং ব্যথা উপশম করা হয়।

বাংলাদেশে এই আধুনিক ও প্রমাণভিত্তিক আকুপাংচার চিকিৎসা সাফল্যের সাথে পরিচালনা করছেন দেশের খ্যাতনামা আকুপাংচার বিশেষজ্ঞ ডা. এস. এম. শহীদুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে SUO XI Hospital (Acupuncture), Dhaka-তে রোগীদের নিরাপদ, প্রাকৃতিক ও দীর্ঘমেয়াদী কোমর ব্যথা মুক্তির সমাধান প্রদান করছেন। সম্পূর্ণ বিনামুল্যে কাউন্সিলিং এর জন্য যোগাযোগ করুন।

আমাদের এই ব্লগে দ্রুত কোমর ব্যথা কমানোর উপায় সম্পর্কে আমরা জেনেছি । এটি একটি যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা। বিভিন্ন কারনে এই ব্যথা হয়ে থাকে। তবে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই ব্যথা দূর করা সম্ভব।