ঘাড় ব্যাথা কেনো হয় | SUO XI Hospital (Acupuncture) চ্যানেল আই অনুষ্ঠান

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
Email
Print

বর্তমান ব্যস্ত ও আধুনিক জীবনযাত্রায় ঘাড় ব্যথা বা ‘নেক পেইন’ একটি অত্যন্ত পরিচিত ও কষ্টদায়ক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা মোবাইলের দিকে ঝুঁকে কাজ করা, ভুল ভঙ্গিতে ঘুমানো কিংবা সঠিক ব্যায়ামের অভাবে ছোট-বড় অনেকেই এই সমস্যায় ভুগছেন। সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় স্যাটেলাইট চ্যানেল ‘চ্যানেল আই’-এর জনপ্রিয় স্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠানে ঘাড় ব্যথার কারণ, ঘাড় ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা, এবং ওষুধহীন বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে আকুপাংচারের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন বিশিষ্ট পাইওনিয়ার আকুপাংচার বিশেষজ্ঞ ডা. এস. এম. শহীদুল ইসলাম পিএইচডি।

এছাড়া ঘাড়ের সার্ভাইকাল কশেরুকার মাঝখান থেকে জেলি বেরিয়ে এসে যখন সংবেদনশীল নার্ভ বা রগের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, তখনই ব্যথা শুরু হয়। ডিস্ক স্থানচ্যুতির চারটির ভিন্ন ধাপ রয়েছে—কম্প্রেশন, বাল্জিং, প্রট্রুশন এবং হার্নিয়েটেড ডিস্ক। রগে কতটুকু চাপ পড়ছে তার ওপর ভিত্তি করে একেক রোগীর ক্ষেত্রে লক্ষণ একেক রকম হয়। কারো শুধু ঘাড় শক্ত হয়ে যায়, কারো ব্যথা হাত পর্যন্ত চলে যায়, আবার কারো হাত ঝিনঝিন করে, অবশ লাগে বা জিনিসপত্র শক্ত করে ধরার শক্তি কমে যায়। এছাড়া অ্যানকাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস (Ankylosing Spondylitis) বা কার্পেল টানেল সিন্ড্রোমের মতো জটিল রোগের কারণেও ঘাড়ে দীর্ঘমেযাদী ব্যথা হতে পারে।

ঘাড় ব্যথার চিকিৎসায় কম্বিনেশন ও সমন্বিত আকুপাংচার চিকিৎসা
যদি পাঁচ থেকে সাত দিনের বেশি সময় ব্যথা স্থায়ী হয়, হাতে দুর্বলতা দেখা দেয় কিংবা হাত অবশ হয়ে আসে, তবে দ্রুত অভিজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া আবশ্যক। ঢাকার শান্তিনগরে অবস্থিত শশী হাসপাতালে ঘাড় ব্যথা ও মেরুদণ্ডের সমস্যার জন্য কোনো ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ (Painless Therapy) বা স্টেরয়েড ছাড়াই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ডা, এস, এম. শহীদুল ইসলাম পিএইচডি উল্লেখ করেন, আকুপাংচার চিকিৎসার মাধ্যমে মানবদেহের ভেতরে স্বাভাবিক ব্যথানাশক হরমোন (যেমন- এনডোরফিন ও ডোপামিন) নিঃসৃত হয়।

এর পাশাপাশি কাইরোপ্র্যাকটিক থেরাপির মাধ্যমে স্থানচ্যুত জেলিকে পুনরায় সঠিক জায়গায় ফিরিয়ে আনা হয় এবং ওজন থেরাপি ও ডিটক্সের মাধ্যমে প্রদাহ (Inflammation) কমানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে ব্যথায় কষ্ট পাওয়া বহু দেশি ও প্রবাসী রোগী এখানে সমন্বিত (Combined) আকুপাংচার চিকিৎসা নিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন।

সুস্থতার পর তিনি রোগীদের ‘শশী হেলদি লাইফস্টাইল’ অনুসরণ করার পরামর্শ দেন, যা পুনরায় ব্যথা ফিরে আসার ঝুঁকি মুক্ত রেখে দীর্ঘমেযাদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।

Receive the latest news

Subscribe To My Weekly Newsletter

Get notified about new articles