ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং অস্ত্রোপচারের ভয় এড়িয়ে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে রোগ নিরাময়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমাদৃত হচ্ছে আকুপাংচার চিকিৎসা। সম্প্রতি এটিএন বাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘স্বাস্থ্য জিজ্ঞাসা’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিশিষ্ট পাইওনিয়ার আকুপাংচার বিশেষজ্ঞ ডা. এস. এম. শহীদুল ইসলাম পিএইচডি কোন কোন জটিল রোগের ক্ষেত্রে আকুপাংচার শতভাগ কার্যকর, সে বিষয়ে আলোকপাত করেছেন।
ডা, এস, এম, শহীদুল ইসলাম পিএইচডি জানান, আকুপাংচার মূলত মানবদেহের নির্দিষ্ট ৩৬১টি আকু-পয়েন্টে অতি সূক্ষ্ম এফডিএ (FDA) অনুমোদিত একমুখী (One-time) নিডেলের মাধ্যমে স্টিমুলেশন প্রদান করে শরীরের অভ্যন্তরীণ শক্তিপ্রবাহ ও হরমোনের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে। এতে করে দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা, মাইগ্রেন, অনিদ্রা (ইনসোমনিয়া), এক্সেসিভ চুল পড়া, ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়ার মতো স্নায়বিক ব্যথা এবং মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিসের মতো জটিল রোগ থেকে রোগীরা মুক্তি পাচ্ছেন।
এছাড়া শ্বাসকষ্ট বা এজমা, নাক ডাকা, আইবিএস (IBS), মেরুদণ্ডের জেলি স্থানচ্যুতি (PLID), হাঁটু ও কোমর ব্যথাসহ ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথির সমস্যায় ওষুধ ছাড়া আকুপাংচারের সাথে অন্যান্য আধুনিক থেরাপির সমন্বিত প্রয়োগে অভূতপূর্ব সাফল্য মিলছে। স্ট্রোকের পর কথা জড়িয়ে যাওয়া রোগীদের জন্য বিশেষ ‘টাং আকুপাংচার’ কথা বলার ক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে। সঠিক বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে আকুপাংচার গ্রহণ করলে দীর্ঘমেযাদী জটিল রোগ থেকেও ব্যথামুক্ত ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব।
